Home এইমাত্র ‘মশার ঘুমের ওষুধ’ এনেছে সিটি কর্পোরেশন : রিজভী

‘মশার ঘুমের ওষুধ’ এনেছে সিটি কর্পোরেশন : রিজভী

8
0
SHARE

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন তো অনেক ধরনের কথা বলেছে, তামাশামূলক কথাবার্তা বলেছে। বাস্তবে মশা মারার যে ওষুধগুলো দরকার সেটা ছিল না।

অথচ প্রধানমন্ত্রী বলছেন ডেঙ্গুর জন্যে যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছেন। আপনার সিটি কর্পোরেশন কী ব্যবস্থা নিয়েছে? তারা কোটি কোটি টাকা দিয়ে যে ওষুধ নিয়ে এসেছে সেটা হচ্ছে মশার ঘুমের ওষুধ। মশা কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে থাকবে শান্তির মধ্যে সেই ওষুধে। প্রকৃতপক্ষে মশা নির্মূল হবে, নিধন হবে সেই ওষুধ আনেনি- সেটা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

রাজধানীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতায় লিফলেট বিতরণকালে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব অভিযোগ করেন। বেলা ১১টায় জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) নেতাকর্মীদের নিয়ে বেইলি রোডের ফুটপাতের দুই পাশের বিপণিবিতান ও সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের সামনে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে লিফলেট বিতরণ করেন রিজভী। এ সময় রিজভী বলেন, আজ এ মহামারীতে একেবারে উদাসীন সরকার।

গণবিরোধী সরকার এ ধরনের চরিত্র ধারণ করতে পারে। সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়নি, বরং এখনও মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে খেলা করছে। তিনি বলেন, জনগণকে আমরা সব দিক থেকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। আমরা মানুষকে বলছি, আপনারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার আগেই সতর্ক থাকুন। এজন্য কী কী করণীয় সেটা ডাক্তাররা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন।

সেটাই আমরা লিফলেটের মধ্যে বলেছি। ডেঙ্গু নিয়ে গণমাধ্যম আতঙ্ক ছড়াচ্ছে- সরকার প্রধানের এরকম বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, যারা ব্যর্থ হয় তাদের মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। যারা জনকল্যাণের মধ্যে থাকে না তাদের অসত্যের ওপর, মিথ্যার ওপর, বিভ্রান্তির ওপর নির্ভর করতে হয়। কারণ নিজেরাই হচ্ছে ভোটারবিহীন একটি সরকার। এ কারণে তারা মিডিয়ার বিরুদ্ধে বলছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমই একমাত্র প্রতিচ্ছবি, একমাত্র আয়না, যেখানে সমাজের নানা অসঙ্গতি ফুটে উঠবে।

এটাই প্রকৃত গণমাধ্যমের বৈশিষ্ট্য। সেই কাজ গণমাধ্যম করছে। রিজভী বলেন, আমরা সবসময় বলি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটা সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার। আমাদের বন্যা উপদ্রুত এলাকায় মানুষের জন্য ত্রাণ নিয়ে যেতে দেয় না। ওরা মনে করে, তাদের এটাতে ক্ষতি হয়ে যাবে, বিরোধী দল এলে তাদের ক্রেডিবিলিটি থাকবে না। এ ভয় থেকেই তারা এ কাজ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাসাসের বাবুল আহমেদ, আহসানউল্লাহ চৌধুরী, মীর সানাউল হক, শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, জাহাঙ্গীর আলম রিপন, জাহিদুল আলম হিটু, জাকির হোসেন রোকন, শিবা সানু, রমনা বিএনপির নাদিম চৌধুরী প্রমুখ।